শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬

অহংকার ছিলো যৌবনের

তোকে যেদিন প্রথম দেখেছিলাম,অহংকার ছিলো যৌবনের
অহংকারে হেটেছিস তোর বাড়ীর উঠানে
কাঁদা লাগাসনি পায়ে,জলে ভিজাসনি শাড়ি
বলেছিলাম তোকে- বু্ঁনো জ্যোৎস্নায় স্নান করতে এক সাথে
তুই খুলেসনি শাড়ি,খুলেসনি অন্তর্বাস,
কিসের এতো অহংকার ছিলো তোর ?

যৌবনতো শুকিয়ে ফেলেছিস,অহংকার চূর্ণ করেছিস বলিরেখায়
নদীর জল শুকিয়ে ফেলেছিস
কোথায় সেই ফেনায়িত ঝর্ণাধারা ?
অনুর্বর ভুমি,শুকিয়ে চৌচির হয়েছে মৃৃত্তিকা
এমন অনুর্বর ভুমি এমন জলহীন নদী পছন্দ করিনা

যদি পারিস আবার নদী হ,আবার জলে ভর্ নদী
আবার উর্বর কর্ ভূমি
তবেই আমি লাঙ্গলের ফলা চালাবো,সাঁতরাবো নদী।

জীবন যেখানে যেমন

আজ তিরিশ উত্তর প্রথম দিন।সময়ের সংখ্যা নীচের দিকে নামছে।শেষ সেকেন্ডের পর প্রথম সেকেন্ড শুরু হবে।আতশবাজি করে সেলিব্রেশন নয়।আকাশে উড়ানো যাবেনা কোনো আলোর ছটা।পানশালা বন্ধ থাকবে।নুপুরের নিক্কনও বাজবেনা।গানও হবেনা এই রাতে।খোকা খুকুদের ঘরে ফিরতে হবে রাত আটটার মধ্যে।সব আনন্দ বন্ধ ঘরের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসে।জন্মেছি এই দেশে। হায় ! জীবন যেখানে যেমন।

্প্রবেশাধিকার

কানে কানে কোনো কথা শুনতে চাইনা
বুকে বুকে ব্যর্থ প্রেমের উচ্ছাস নয়
সাগরের ঢেউ ভাঙ্গুক উদোম বালুকাবেলায়-
যদি থাকে প্রেম যদি জ্বলে আগুন অন্তর্জালায়
কোনো আপোষ করো না প্রেম কস্তরী লাভে
হৃদয়ে হৃদয়ে বাজুক সুর কোমল গান্ধার                                                                                                           শরীর কেন্দ্রবিন্দুতে হোক ্প্রবেশাধিকার।

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬

সামনে শ্বাস পিছনে দীর্ঘশ্বাস

মহাকাল কেড়ে নিলো আর একটা বছর।আয়ু থেকে ঝরে গেলো আর একটা ঝরা পাতা।জীবন কেবল নিঃশেষই হয়।পরিপূর্ণ হওয়ার আগেই উপচে পড়ে জল।সামনের জীবনটা শ্বাস,পিছনের জীবন দীর্ঘশ্বাস।শেষ রোদ্র আর শেষ সূর্যাস্তের সাথে মিলিয়ে গেলো বছরের যতো সুখ দুঃখ হাসি বেদনার নির্যাস।দিন চলে যায়,আসে আগামী। চলছি কালের স্রোতে ভেসে মহাকালের দিকে, চলছি ধেয়ে শেষ প্রা্ন্তরেখার দিকে।সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

যদি চলে যাই

আসছে বসন্ত দিনে- যদি না থাকি
যদি চলে যাই যেখানে বসন্ত নেই
যদি না থাকি তোমাদের কাছে
তারপরে তো ফুল ফুটবে
পৃথিবী ঘুরবে সূর্যের চারদিক
সন্ধ্যাতারা জ্বলে উঠবে সন্ধ্যাবেলায়
আমার তখন প্রয়োজন নেই।

আমি কি জানতে পারবো
সামনে বসন্ত আসার আগেই চলে যাবো
মৃত্যু এতো ভিখারী কেন ?
দিতে চাইনা ভিক্ষা-
তবু ঘরের দরজায় চলে আসে।

 যদি চলে যাই সামনের বসন্তে
তোমরা কি মনে রাখবে- এই পাখীকে
সন্ধ্যারাতের নিষ্প্রভ এই তারাকে
আর এক কোনো বসন্ত সন্ধ্যায়।

যা কিছু দেখি

বুক থেকে খসে পড়ে প্রেম
ঠো্ঁট থেকে চুমু
চোখ থেকে তারা,
যা কিছু দেখি তাই খসে পড়ে
প্রেম চুমু তারা।

আজন্ম প্রেমিক

আজন্ম প্রেমিক আমি,বুদ হয়ে থাকি আনন্দে
আনন্দ আমার পূর্বপুরু্ষ থেকে পাওয়া অধিকার
তুমি কি আনন্দ করতে পারবে ?
পারলে পারবে,না পারলে চলে যাবে
যেমন চলে গেছে পূর্বের অক্ষম প্রেমিকারা
আমিতো ভিখারী রাঘব নই
আমৃত্যু আনন্দ করা আমর অধিকার।