শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬

তুমি আসো বসন্ত দিনে

তোমার প্রতিটি অঙ্গ প্রতঙ্গ আমার প্রিয়
এই যে আনত গ্রীবা বে্ঁকে আছে প্রথমা চা্ঁদের মতো
তোমার করতল,তোমার কু্চকানো ভ্রু,গালের পাশে খয়েরী তীল
কখনো প্রিয় হয় রোদ্রের ঝিলিক মাখা ঠো্ঁট
যেখানে গোলাপের পা্ঁপড়ি ঝরে পড়ে সকাল বিকেল
আমার ভালোলাগে জলভরা চোখ
যে কা্ঁদে মেঘে কা্ঁদে বৃস্টিতে কা্ঁদে
আমার কাছে তোমার আসাটা প্রিয় হয়
তুমি আসো কখনো তপ্ত দুপুরের রোদ্রে পুড়ে
তুমি আসো কাদাজল ভেঙ্গে বূস্টিতে ভিজে
তুমি আসো বসন্ত দিনের উদ্ভ্রান্ত বাতাসে।

এই দেশ আমাদের মা

তোমার সন্তানদের বলবে যে এই মাটিতে মিশে আছে শহীদদের রক্তের দাগ, পায়ের তলায় যে মাটি তাতে আছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবাশেষ।আমাদের স্বজনদের,আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রাণ মাটিতে মিশে একে সমৃদ্ধ করেছে, তাই এই মাটিকে যেন তারা শ্রদ্ধা করে। তোমার ছেলেমেয়েদের শিখিও- এই দেশ আমাদের মা।মায়ের মতোই একে ভালোবাসতে হবে।যদি প্রাণ দিতে হয়- দেবে প্রাণ।

নাফ নদীর কান্না

 আরাকান,জ্বলছে রাখাইন,জ্বলছে মংডু,জ্বলছে
 রোহিঙ্গাদের,মারছে রোহিঙ্গা,গণহত্যা চলছে
ধর্ষিত হচ্ছে তরুণী,যুবতী,দাসী,যৌনকর্মী
রক্তে ভাসছে কালাদান,লেশ্রু,মায়ু নদী
রক্ত গড়িয়ে  নামছে সাবরিনি,কাইন দিয়ে
লুসাই পাহাড় দেখছে গণহত্যার বিভৎসতা,
ইয়োম পর্বতমালা শুনছে রোহিঙ্গাদের গগনবিদারী কান্না                                                                                 নারী শিশুর আর্তনাদে ভারি হয়েছে লংগিয়েতের বাতাস
রোহিঙ্গাদের দীর্ঘশ্বাসে বিষন্ন পেরিসের আকাশ।

ছি! অংসান সূচি ! কি লজ্জা ! কি শান্তির ছো্ঁয়া তোমার নভেল পদকে
পদদলীত করি তোমার পুরস্কার,তুমি শুনে যাও এসে নাফ নদীর কান্না,
এই যে এতো মৃত্যু এখানে এই উপত্যাকায়
কোথায় এ্যামনেস্টী ? কোথায় জাতিসংঘ ? মানবধীকার ধ্বজাধারী্রা ?
ধিক্কার মুসলিম জাহান, আহা ! কোথায় পাকিস্তান ?
কোথায় আরব বিশ্ব ? কোথায় ইরান,তুরান, আফগানিস্তান ?
ছি! ধিক্কার দেই,অভিশাপ দেই,থুথু দেই তোদের চোখে মুখে।

নাফ নদী দিয়ে ভেসে আসা লাশ দাফন করতে হবে আমাদেরকে
নাফ নদী দিয়ে ভেসে আসা মানুষের কান্না থামাতে হবে আমাদেরকে
যতো দায় যেনো আমাদের, বাংলাদেশের, এ দেশের মানুষের !


তুমিতো বিরহিনী নও

তুমি আমাকে না বলে দিগন্তে নেমে আসা আকাশ ছু্ঁইতে গিয়েছিলে
তুমি একা পাহাড়ের ঝর্ণাতলায় স্নান করে শীতল হতে গিয়েছিলে                                                                     পাথরে রেখেছিলে পা, জলে ভিজিয়েছিলে চোখ,মুুখ ও শরীর।
তুমি একদিন বকুল তলায় একা হেটে হেটে গান গেয়েছিলে
নীল রং শাড়ী পড়ে একাকী দাড়িয়েছিলে বিকেলের বারান্দায়
দখিনের হাওয়ায় উড়েছিলো তোমার চুল,শাড়ীর আঁচল
তুমি রাতের আধার দিয়ে একা ঢেকে রেখেছিলে তোমার মুখ
তুমিতো বিরহিনী নও,তবে কেন নিজেকে এমন একা করে রাখা।


এই জীবন,এই পথ

ঘর হতে বেরিয়ে আলোতে এসে দাড়াই।বাইরে এতো আলোর ছ্বটা, ঝলমল করছে বৃক্ষরাজি,অ্ট্টালিকা,পশু,পাখী, পাহাড়,নদী,সাগর ।মনে হচ্ছে এই আলো মেখে পরিপূর্ণ করি আমাদের জীবন।আমাদের স্বপ্ন দেখা শেষ হয় নাই, জীবন পরিপূর্ণ হয় নাই। আমার সাথে তো একজন সাথী আছে, সে এখনো আমার হাত ধরে আছে। যে আলো আজ দেখছি সে আলোয় দু'জনে মিলে পথ চলে যেতে পারবো অনেক দূর। জীবন কোথাও শেষ করতে চাইনা। পথ চলাও না।এই জীবন,'এই পথ কোনো দিন যেন শেষ না হয়।'

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬

সুন্দর আছি

মুঠোফোনে আজ আমাকে একজন বললো- সুন্দর আছেন তো ? ওপাশে ছিলো সুন্দরী বিবাহিত এক রমণী।তার চোখ দিয়ে কি সুন্দর দেখতে চেয়েছেন- জানি না।আমি পরকিয়ায় অভ্যস্ত নই। অবিবাহিত পরকিয়ারও কোনো অভিজ্ঞতা নেই। খুবজোড় আমি তাকে নিয়ে লিখতে পারি একটি কবিতা।সেখানেই বলে দিতে পারি, সুন্দরের সব কথা।আমি সেই রমণীকে বললাম- সুন্দর আছি।ওপাশ থেকে কোনো কথা বললো না । তখন আমি আবার বললাম- You may check your Inbox tomorrow.

আধারে তোমাকে খু্ঁজি

তুমি নেই আমার মন ঘুরে বেড়ায় তোমার ছায়ায়
যে বিকেলে বিছিয়েছো তোমার আ্ঁচল অসীম মায়ায়
সে বিকেলও সন্ধ্যা আসার আগেই অস্তমিত হয়ে যায়                                                                                        দূরে কোথাও বাজে কেবলই তোমার নিঃশব্দ পদধ্বনি
রাতের গভীরে সে পদধ্বনিও নীলিমায় যায় মিলিয়ে
রাতের আধারে তোমাকে খু্ঁজি ভিজায়ে চোখের জল
সে রাতও কখনো ভোর হয় নাই হয়েছি কেবল আকুল।