সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬

কোথাও তুমি নেই

 শুয়ে আছি ঘুম আসে না চোখে,
তাই তাকিয়ে থাকি দূর নীলিমায়
দেখি তুমি সাদা শাড়ি পড়ে মেঘে মেঘে ভাসছো,                                                                                         তোমার ঐ মেঘে ঢাকা ছায়ায় ঘুম আমার এসে যায়                                                                                            ঘুম আর স্বপ্নের ভিতর তখন তোমাকে দেখি-                                                                                                       তুমি সদ্য স্নান সেরে নীল শাড়িপড়ে হাটছো বারান্দায়                                                                                       চুল থেকে তখনো ফোটা ফোটা  ঝরে পড়ছে জল                                                                                              তোমার ঐ চুলের গন্ধ আর পায়ের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়                                                                                     যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন স্বপ্নটাও চলে যায়                                                                                                           তখন শূণ্যতায় চোখ মেলে চেয়ে দেখি-
 তোমার নীল শাড়ি,ভেজা চুল এসব কিছুই নেই। 

আদিমতা তুমি ফিরে এসো না

আদিমতা তুমি ফিরে এসো না,আমরা সভ্যতায় থাকতে চাই
বর্বরতা তুমি ফিরে এসো না, আমরা সম্প্রীতিতে থাকতে চাই
ধংস তুমি উন্মত্ত না, আমরা শান্তির জনপদ এখানে নির্মাণ করেছি
আগুন তুমি জ্বলে উঠো না, আমরা শীতল আবাস এখানে গড়েছি।

কতটা ভালোবাসি

 একদিন আমার স্বপ্ন চোখে যখন তুমি এসে ধরা দিলে, মনের মধ্যে তখন যেন অদ্ভুত এক মুক্তির আনন্দ বয়ে গেলো । এ মুক্তি অব্যবহিত অন্তর্জালকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে জানান দিল জগতে প্রেম আছে । শরীর নয়,আত্মার কাছকাছি স্বর্গীয় সুধা আছে। তোমার প্রেরণায় জীবন আমার এগিয়ে যাচ্ছে ,‘যুগ বয়ে যাচ্ছে তোমাকে নিয়ে। তোমাকে কতটা যে ভালোবাসি, এতটা যে কোন পাহাড়ের ক্ষমতা নেই পরিমাপের, এতটা যে কোন আকাশে না এ বিস্তৃত হবে, এতটা যে না কারো চিন্তায় এর জায়গা হবে !

রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৬

'Have a nice day'

 একটি তথ্যচিত্রের প্রয়োজনে ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার উস্তিনভকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কথা ছিল তার।তাই তিনি তাড়াহুরোও করছিলেন। ডাঃ মাথুর এসেছিলেন প্রাত্যহিক শরীর চেক আপ করতে। করেছিলেনও তিনি,সবই ঠিক ছিলো। ডাঃ মাথুর এবং সে এক সাথেই বেড়িয়ে আসেন। ডাঃ বিদায় নিয়ে চলে যান তার গাড়ির দিকে, ইন্দিরাজি ডাঃ মাথুরকে - 'Have a nice day' বলেই লনে হাটতে থাকে। ঠিক তখনই বিয়ন্ত সিং এর স্টেন গান থেকে এক ঝা্ঁক গুলি এসে লাগে তার বুকে। ১ নং সফদর জং রোডের বাড়ীর উদ্যানের সবুজ ঘাস তখন নিমিষেই লাল হয়ে যায়। তারপর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বা্ঁচাবার সব চেস্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।তার জীবন প্রদীপ আগেই নীভে গিয়েছিলো।
ইন্দিরাজি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অংশ ছিলেন।অাজ ৩১ অক্টোবর, বিয়োগান্তক ও বিষাদের এই দিনে তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছি।

একদিন দুপুরে

একদিন দুপুরে বাড়ীতে একাকী শুয়ে আছি।রোদ্র্রের তপ্ততায় ঘরের চালের টিন ঝা্ঁঝা্ঁ করছে।চোখ বন্ধ করে আছি। হঠাৎ মনে হলো এই খর দুপুরে বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে।দেখলাম- তুমি আঙ্গিনার উঠোনে বৃষ্টিতে ভিজছো।তোমার চোখে মেঘলা আকাশের মায়া। চুল থেকে ঝরছে বিন্দু বিন্দু জল,শাড়ীর আ্ঁচল তোমার জল কাদায় ছু্ঁঁয়ে যাচ্ছে। বিমুগ্ধ চোখ খুলে দেখতে পাই,এতো বৃষ্টি নয়,তুমি এই অলস দুপুরের প্রান্তবেলায় অপেক্ষা করছো আমার জন্য, চেয়ে আছো দূর পথের দিকে,যে পথ দিয়ে আমি ফিরে আসি ঘরে। কিন্তু আমার হাতে কোনো ফুল নেই,মালা নেই যা তোমাকে দিবো। মন খারাপ করতে না করতেই আমি  বিছানা থেকে উঠে বসি, শরীরটা আরমোরা করে উঠে দাড়াই। ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় যেয়ে মুখ দেখি, সেখানে নিজের মুখ ছাড়া অন্য কারোর প্রতিচ্ছায়া দেখতে পাইনি।

ভালোবাসা নেই ঘৃণা নেই

আমি তাকে বললাম,ভালোবাসা দিব, তুমি কি দেবে আমাকে ?
উদাসীন সে,কোনো জবাব নেই
যেনো বহুকাল ধরে বহুজনের কাছ থেকে সে বহু ভালোবাসা পেয়েছে
 এসবের তার দরকার নেই।
তাকে আবার বললাম- তোমাকে আমি ঘৃণা করি
আচমকা মুখ তার বিবর্ণ হয়ে গেলো
যেনো সে এই প্রথম কারো কাছ থেকে ঘৃণা পেলো।

মনে মনে বলি, এখন তুমি কি দেবে আমাকে ?
তোমারতো কিছুই নেই- ভালোবাসা নেই,ঘৃণাও নেই।

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬

ধর্ষকের শাস্তি

একদা দৈববানী শুনে ব্রহ্মা বারো বছরের জন্য তপস্যায় বসলেন। তপস্যায় বসেও ব্রহ্মার নারী আসোক্তি যায় না। ঊর্বশী শতরূপাদের দেখলেই তার কামাদ্রেক হতো । কিন্তু তপস্যায় বসে এসব করা যাবে না। তাই ক্ষোভে দুঃখে একদিন পুস্করতীর্থে তীরে বসে ব্রহ্মা তার উথ্থিত লিঙ্গ পাথরের উপর রেখে আরেকটি পাথর দিয়ে ছ্যাচা দিয়ে বলে- 'তরে না কইচিলাম, অপ্সরী দেখলেই খারা হইবি না,তারপরেও তুই খারা হোস, এবার মজা বোঝ্,কেমন লাগে।'
   পা্ঁচ বছরের শিশু পূজার ধর্ষক সাইফুল এখন রিমা্ন্ডে।এই জানোয়ারের লিঙ্গটা একটা ইটার উপরে রেখে অন্য আর একটা ইটা দিয়ে ছ্যাচা দেওয়া হোক।  জীবনে যেনো আর এ রকম খায়েস ওর না হয়।